দক্ষিণ আফ্রিকার গতিময় পেসার আনরিখ নরকিয়ার পিঠের চোটে ছিটকে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগালেন কর্বিন বশ। পেস বোলিং অলরাউন্ডার বশকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির চূড়ান্ত স্কোয়াডে যুক্ত করেছে প্রোটিয়ারা।
গত মাসে নরকিয়ার চোট নিশ্চিত করলেও দল ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড (সিএসএ)। অবশেষে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট এসএটোয়েন্টি শেষ হওয়ার পর বশকে দলে ডাকা হয়।
এমআই কেপ টাউনের হয়ে সদ্যসমাপ্ত এসএটোয়েন্টি ফাইনালে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপকে ৭৬ রানে উড়িয়ে শিরোপা জিতেছে বশের দল। পুরো আসরে ৩০ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার ৮ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছেন ১৭.৩৬ গড়ে। ফাইনালে একটি উইকেট শিকার করেন তিনি। ব্যাট হাতে একটি ম্যাচে খেললেও রানের খাতা খুলতে পারেননি।
কর্বিন বশ এর আগে একটি ওয়ানডে এবং একটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস খেলেন। বল হাতে শিকার করেন একটি উইকেট। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তিন ফিফটির সাহায্যে ৫৪৭ রান ও ৩৮ উইকেট রয়েছে তার ঝুলিতে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি হিসেবে পাকিস্তানে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে বশ ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোয়াডে যুক্ত হয়েছেন তরুণ পেসার কিউনা মাফাকা এবং ব্যাটার টোনি ডি জোর্জি। রবিবার করাচিতে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা তাদের।
ত্রিদেশীয় সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ম্যাচ সোমবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। দ্বিতীয় ম্যাচ বুধবার পাকিস্তানের সঙ্গে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপ পর্বে তাদের বাকি দুই প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড।
দক্ষিণ আফ্রিকার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি স্কোয়াড: টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), কর্বিন বশ, টোনি ডি জোর্জি, মার্কো ইয়ানসেন, হাইনরিখ ক্লাসেন, কেশাভ মহারাজ, এইডেন মার্করাম, ডেভিড মিলার, ভিয়ান মুল্ডার, লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাদা, রায়ান রিকেলটন, তাব্রেইজ শামসি, ট্রিস্টান স্টাবস, রাসি ফন ডার ডাসেন।