ঘরের মাঠে টস হেরে ব্যাটিং শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে সিলেট স্ট্রাইকার্স। নিজেদের মাঠে দর্শকদের বিনোদন দিতে তারা মেতে ওঠে চার-ছক্কায়। সিলেটের দুই ওপেনার, জর্জ মানজি এবং রনি তালুকদার মাত্র পাঁচ ওভারে ৪৭ রান তুলে দেন। সাইফউদ্দিনের প্রথম ওভারে ছয় রান হলেও, শেখ মেহেদীর দ্বিতীয় ওভারে তারা ১৩ রান নেয়। এরপর নাহিদ রানার চতুর্থ ওভারে আবার ১৩ রান আসে, যেখানে একটি করে ছক্কা মারেন দুই ব্যাটসম্যান।
পঞ্চম ওভারে আকিফ জাভেদের বিরুদ্ধে চড়াও হন রনি ও মানজি। তবে জাভেদ তাদের ব্যাটিং বন্ধ করতে সক্ষম হন, মানজি স্লোয়ারে ধরা পড়ে ডিপ স্কয়ার লেগে। সিলেটের ইনিংসের প্রথম ৪৭ রান আসে ওপেনিং জুটিতে। পাওয়ার প্লে’তে সিলেট তোলে এক উইকেটে ৫৫ রান।
নবম ওভারে শেখ মাহেদীর প্রথম শিকারে পরিণত হন রনি তালুকদার, ৩২ বলে ৫৪ রান করে তিনি সাজঘরে ফিরেন। ৩২ বলের এই ইনিংসে ৩টি ছক্কা এবং ৭টি চারের মার ছিলো। রনি ও জাকির হাসান দুর্দান্ত দুটি হাফ সেঞ্চুরির পর, শেষদিকে অ্যারন জোন্স এবং জাকের আলী অনিকের ক্যামিওতে সিলেট স্ট্রাইকার্স ২০৫ রানের বড় লক্ষ্য দাঁড় করায় রংপুর রাইডার্সের সামনে।
জাকির ৩৮ বলে ৫০ রান করে ফিরলেও, জাকের আলী অনিক ৩ বলে তিনটি ছক্কায় ২০ রান করে দলের স্কোর দুইশো পার করাতে সাহায্য করেন। ১৯ বলে ৩৮ রান করা জোন্সও অপরাজিত ছিলেন। রংপুর রাইডার্সের হয়ে ৩১ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন সাইফউদ্দিন। অন্যদিকে, ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থাকেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা পেসার নাহিদ রানা। ২৪ বলের স্পেলে ৫টি ওভার বাউন্ডারি ও ১টি বাউন্ডারি হজম করেন তিনি।