চেন্নাইয়ে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় ফেল করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দ্বিতীয়বারের পরীক্ষাতেও সফল হতে না পারায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিংয়ে নিষিদ্ধই থাকছেন সাকিব আল হাসান।
গত বছর পাকিস্তান সফর শেষে বাংলাদেশে ফিরে না গিয়ে সারের হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে ইংল্যান্ডে যান সাকিব। ওই ম্যাচে ১৯৩ রানে ৯ উইকেট নিয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট বা ইসিবির যেকোনো টুর্নামেন্টে খেলতে হলে তাকে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষায় পাশ করার শর্ত দেওয়া হয়।
ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের লাফবরো ইউনিভার্সিটিতে প্রথম পরীক্ষায় সাকিব সফল হতে পারেননি। পরে শ্রী রমাচন্দ্র সেন্টার ফর স্পোর্টস সায়েন্সে পুনর্মূল্যায়নের জন্য পরীক্ষা দেন। কিন্তু সেখানেও তার অ্যাকশন বৈধতার মানদণ্ডে পাশ করতে পারেনি।
ইসিবির নিয়ম অনুযায়ী, এখন তিনি বোলিংয়ের জন্য নিষিদ্ধ। নতুন করে পরীক্ষা দিয়ে বোলিংয়ে ফেরার সুযোগ থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী যদি একই সমস্যায় পড়েন, তাহলে এক বছরের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হতে হবে তাকে।
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্কোয়াড নিয়ে গুঞ্জন ছিল, সাকিব বোলিং অ্যাকশন শুধরে পরীক্ষা সফল করলে তাকে বিবেচনা করবে বিসিবি। তবে শুধুমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে আপাতত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকেও বাদ পড়া নিশ্চিত হলো এই অলরাউন্ডারের।
সাকিবের এই নিষেধাজ্ঞা দলকে বোলিং বিভাগে বড় ধরনের চাপের মধ্যে ফেলতে পারে। ত্রুটিমুক্ত হয়ে কবে মাঠে ফিরবেন তিনি, সেটাই এখন দেখার বিষয়।