ইংল্যান্ডে প্রথম পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর আশা করা হয়েছিল, চেন্নাইয়ের দ্বিতীয় পরীক্ষায় উতরে পাবেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সেখানেও পাশ করতে পারেননি। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গত বছর কাউন্টি খেলতে গিয়ে সারের হয়ে বোলিং করার সময় সাকিবের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক হিসেবে উঠে আসে। এরপর ইংল্যান্ডের লাফবারো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার অ্যাকশন পরীক্ষা দেন সাকিব, তবে তাতে পাস করতে ব্যর্থ হন। গত ২১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় চেন্নাইয়ে পরীক্ষা দেন তিনি। কিন্তু আবারও ব্যর্থতার খবর এসেছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাকিবের এই পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় ছিল। তার বোলিং নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সিদ্ধান্ত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল ঘোষণার আগে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল বোর্ড। কারণ, ১২ জানুয়ারির মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য চূড়ান্ত দল পাঠাতে হবে। তবে পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় সাকিব আপাতত শুধু ব্যাটার হিসেবেই খেলার সুযোগ পাবেন, বোলিং করতে পারবেন না।
ক্রিকেট অপারেশন্স ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছেন, ফলাফলের অপেক্ষার কারণ বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটি। তবে পরীক্ষার ফলাফল ইতিমধ্যে পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, সাকিবের বোলিং ফেরাতে আরও চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টানা দুইবার বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষায় ফেল করলে যেকোনো ক্রিকেটারকে এক বছরের জন্য বোলিং থেকে বিরত থাকতে হবে। তাই সাকিবের সাম্প্রতিক ব্যর্থতার কারণে তার বোলিং ক্যারিয়ার এক বছর বিরতির মুখে পড়তে পারে।
যদিও একটি সূত্র জানিয়েছে, চেন্নাই পরীক্ষার প্রযুক্তিগত ত্রুটির সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এমন কোনো ত্রুটি নিশ্চিত হয়, তবে সাকিবের জন্য আরও একটি সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত সাকিবের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ।