বিপিএলের এবারের আসরের প্রথম জয় পেয়েছে দুর্বার রাজশাহী। প্রথম ম্যাচে বড় সংগ্রহ পেয়েও ফরচুন বরিশালের সাথে ম্যাচ জিততে পারেনি রাজশাহী। প্রথম ম্যাচের হারের পর আজ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১৭৪ রানে আটকে দেন রাজশাহীর বোলাররা। বিশেষ করে তাসকিন আহমেদ ছিলেনঅবিশ্বাস্য। বিশ্বের তৃতীয় বোলার হিসেবে ৭ উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি এই পেসার।
মিরপুরে ১৭৫ রান তাড়ায় মুস্তাফিজুর রহমানের তৃতীয় ডেলিভারিতে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে পুল করে চার মেরে ভালো শুরুর আভাসই দিয়েছিলেন হারিস। পরের বলে ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে ডানহাতি ওপেনার ছক্কা মেরেছেন এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে। তবে পরের বলেই ফিরতে হয়েছে হারিসকে। বাঁহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিতে গিয়ে স্লিপে স্টিফেন এস্কিনাজিকে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন ১২ রানে। আরেক ওপেনার জিসানও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ।
মুস্তাফিজের করা তৃতীয় ওভারে কোন রানই বের করতে পারেননি তরুণ এই ওপেনার। পরের ওভারে মুকিদুলের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে টপ এজ হয়ে থিসারা পেরেররাকে ক্যাচ দিয়েছেন। ৮ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি জিসান। ৩১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে তোলেন ইয়াসির ও বিজয়। তারা দুজনে মিলে রাজশাহীকে টেনে নিয়ে যেতে থাকেন। তাদের দুজনের আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে জয় পেতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি রাজশাহীর। ১০৬ রানের জুটি গড়ার পাশাপাশি দুজনই পেয়েছেন পঞ্চাশের দেখা। মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর অফ স্টাম্পের বাইরের ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে ছক্কা মেরে রাজশাহীর ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন বিজয়। তাতে প্রথম জয় পেয়েছে রাজশাহী আর দুই ম্যাচেও জয় শূন্য ঢাকা।
প্রথম ম্যাচে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি করতে না পারা ইয়াসির এবার ফিরেছেন ২২ রানে। ইয়াসির আউট হওয়ার পর বিজয় ও বার্ল মিলে দারুণ এক জুটি গড়েন। দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা বিজয় হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন ৩৫ বলে। আরেক ব্যাটার বার্ল পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৩১ বলে। শেষ পর্যন্ত বিজয় অপরাজিত ছিলেন ৭৩ রানে এবং বার্ল অপরাজিত ছিলেন ৫৫ রানে। ১১ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটের জয় পাওয়ায় অবিচ্ছিন্ন ছিল তাদের দুজনের ১০৬ রানের জুটি।