ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। আগে ব্যাট করে সাইফ হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয়ের ফিফটিতে ২৯২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় রূপগঞ্জ। তবে শান্তর ১০১ রানের ইনিংস এবং শেষ দিকে মুমিনুল-মাহফুজুর রহমান রাব্বিদের কার্যকর ব্যাটিংয়ে ৮ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় আবাহনী।
সাইফ-জয়ের ব্যাটিংয়ে রূপগঞ্জের বড় সংগ্রহ
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। দলকে ভালো শুরু এনে দেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই। ২০ বলে ২৪ রান করে ফিরেন তামিম, সৌম্য করেন ৩১ বলে ২৭।
এরপর সাইফ হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয় ৯৪ রানের জুটি গড়েন। ধীরস্থির ব্যাটিং করেন সাইফ, অন্যদিকে জয় ছিলেন আগ্রাসী। ৫৪ বলে ৫৮ রান (৫ চার, ২ ছক্কা) করে সাজঘরে ফেরেন জয়। ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোর সাইফের (১০৩ বলে ৬৭ রান)। শেষদিকে আফিফ হোসেন (২৬), জাকের আলী (৩৫) ও শেখ মেহেদী (২৮) ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস খেলেন।
ফলে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯২ রান তোলে রূপগঞ্জ। আবাহনীর হয়ে নাহিদ রানা ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত নেন ২টি করে উইকেট।
শান্তর সেঞ্চুরি, আবাহনীর দাপুটে জয়
বড় লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম বলেই গোল্ডেন ডাকের শিকার হন পারভেজ হোসেন ইমন। তবে অধিনায়ক শান্তর সাথে ১০৭ রানের দারুণ জুটি গড়েন জিসান আলম। ৪৩ বলে ৪৬ রান করে আউট হন জিসান।
এরপর শান্তর সাথে ৫০ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ মিথুন। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে বিদায় নেন মিথুন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে এগিয়ে যান শান্ত। ৩৫তম ওভারে ১০৮ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। পরের ওভারে শেখ মেহেদীর বলে আউট হওয়ার আগে ১০১ রানের রাজসিক ইনিংস উপহার দেন শান্ত।
শেষ দিকে কিছুটা চাপে পড়ে আবাহনী। তবে মুমিনুল হক (৩২ বলে ৩৫) ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি (২৫ বলে ৩১) মিলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
রূপগঞ্জের বোলারদের লড়াই, তবে জয় আবাহনীর
রূপগঞ্জের হয়ে শেখ মেহেদী ২ উইকেট নিলেও দলের জয় এনে দিতে পারেননি। ৮ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয় পায় আবাহনী লিমিটেড। অধিনায়ক শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে!