চলতি বিপিএলের ফাইনালে ফরচুন বরিশালকে টানা দ্বিতীয় শিরোপা পাইয়ে দিতে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ফিফটি করেন তামিম ইকবাল। ১৯৫ রান তাড়ায় ২৯ বলে ৫৪ করা তামিম হয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। ফাইনালে উঠতে না পারা খুলনা টাইগার্সের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যাটে বলে নৈপুণ্য দেখিয়ে হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়।
ফাইনালের সেরা হওয়ায় ৫ লাখ টাকার প্রাইজমানি পেয়েছেন তামিম। টুর্নামেন্ট সেরা মেহেদী হাসান মিরাজ পেয়েছেন ১০ লাখ টাকা। আসরে ব্যাট হাতে ৩৫৫ রান করার পাশাপাশি বোলিংয়ে ১২ উইকেট নেন মিরাজ।
চ্যাম্পিয়ন – ফাইনাল ম্যাচে চিটাগং কিংসকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতল ফরচুন বরিশাল। একইসঙ্গে তারা পেল আড়াই কোটি টাকার অর্থ পুরস্কার।
রানার্সআপ – শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ১৯৪ রানের পুঁজি নিয়েও জিততে পারেনি চিটাগং কিংস। ২০১৩ সালের পর বিপিএলে ফেরার আসরে রানার্স-আপ হলো তারা। ফলে তারা পেল দেড় কোটি টাকা।
তৃতীয় দল – দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ হেরে ফাইনালের আগে ছিটকে যাওয়া খুলনা টাইগার্স পেল ৬০ লাখ টাকা।
চতুর্থ দল – টানা আট ম্যাচ জেতার পর পরপর পাঁচ ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া রংপুর রাইডার্স এবারের চতুর্থ সেরা দল। তাদের দেওয়া হয়েছে ৪০ লাখ টাকা।
অন্যান্য পুরস্কার –
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক- নাঈম শেখ (আসরজুড়ে চমৎকার ব্যাটিংয়ে এক সেঞ্চুরির সঙ্গে তিন ফিফটিতে ৫১১ রান করা মোহাম্মদ নাঈম শেখ জিতলেন সেরা ব্যাটসম্যানের পুরস্কার। ৫ লাখ টাকা অর্থ পুরস্কার পেলেন তিনি।)
টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী- তাসকিন আহমেদ (রেকর্ড গড়া আসরে ১২ ইনিংসে ২৫ উইকেট নিয়ে এবার সেরা বোলারের পুরস্কার জিতলেন তাসকিন আহমেদ। নাঈমের মতো তিনিও পেলেন ৫ লাখ টাকা।)
টুর্নামেন্টের সেরা ফিল্ডার- মুশফিকুর রহিম (আসরজুড়ে উইকেটের পেছনে ১২টি ক্যাচ ও ২টি স্টাম্পিং করে সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার জিতেছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা।)
টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়- তানজিদ হাসান তামিম (প্রথম পর্বে বাদ পড়া ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে ব্যাট হাতে পুরো আসরেই চমৎকার ছিলেন তানজিদ হাসান। ১২ ইনিংসে এক সেঞ্চুরির সঙ্গে চার ফিফটিতে ৪৮৫ রান করে তিনিই জিতেছেন বিপিএলের প্রথম ইমার্জিং প্লেয়ার অব দা টুর্নামেন্ট পুরস্কার। ট্রফির সঙ্গে তার প্রাপ্তি ৩ লাখ টাকা।)