বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে টানা পাঁচ টেস্ট খেলায় শেষ দিকে চোটে আক্রান্ত হন জাসপ্রিত বুমরাহ, শেষ ইনিংসে আর বল করতে পারেননি। এরপর আর খেলায় ফেরা হয়নি তার, পিঠের চোটে শঙ্কা আছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়েও। ভারত মূল স্কোয়াডে বুমরাহকে রাখলেও তার খেলা নিয়ে কোন নিশ্চয়তা এখনো মিলছে না।
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইসিসির কোন অনুমতি ছাড়াই স্কোয়াডে বদল আনা যাবে। সেদিক থেকে আজই বুমরাহর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদিও চোটে পড়া খেলোয়াড়কে বদল করার অনুমতি পরেও একটা আনুষ্ঠানিকতার মতন ব্যাপারই স্রেফ।
ভারত বুমরাহকে স্কোয়াডে রাখবে যদি তিনি টুর্নামেন্টের এক পর্যায়েও খেলতে পারেন। একদম খেলার সম্ভাবনা না থাকলে সেক্ষেত্রে বিকল্পের চিন্তায় যেতে পারেন অজিত আগারকাররা।
অতিরিক্ত বোলিং করার পিঠের স্ট্রেস ইনজুরিতে পড়েছেন বুমরাহ। এই ধরণের চোটে নির্দিষ্ট সময় বিশ্রামের প্রয়োজন, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুমরাহকে সুস্থ করার দায়িত্ব তিন জনের উপর দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
পিটিআই-কে বিসিসিআইর এক কর্তা বলেন, ‘জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে স্ট্রেংথ এবং কন্ডিশনিং কোচ রজনীকান্ত শিভাঙ্গনম এবং ফিজিয়ো তুলসী রাম যুবরাজ বুমরাহকে রিহ্যাব করাচ্ছেন। চিকিৎসক নিতিন পটেল ভারতীয় পেসারকে প্রতিটা মুহূর্তে নজরে রেখেছেন। সেই সঙ্গে জাতীয় দলের স্ট্রেংথ এবং কন্ডিশনিং কোচ সোহম দেশাই এবং ফিজিয়ো কমলেশ জৈনও খোঁজ নিচ্ছেন বুমরাহের।’
জানা গেছে বড় এই বৈশ্বিক আসর জিততে বুমরাহকে যেকোনোভাবে পাওয়ার চেষ্টা করবে ভারত। বুমরাহ না থাকলে ভারতের বোলিং আক্রমণ অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলতে গিয়ে সিডনিতে চোট পান বুমরাহ। এরপর পার হয়েছে পাঁচ সপ্তাহ। এই সময়ে ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা ডানহাতি পেসারের জিম করাও বারণ ছিলো।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০ ফেব্রুয়ারি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম ম্যাচ খেলবে ভারত। এই ম্যাচের মাঝে আছে আর ৮ দিন। সেরে উঠলেও এই ম্যাচে বুমরাহর খেলাটা বেশ কঠিন।
বুমরাহ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেরতে পারবেন কি না কিংবা শুরু থেকেই মাঠে নামতে পারবেন কি না, এই সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় থাকবে বাংলাদেশ দলও। ২০ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষেই যে বাংলাদেশের লড়াই দুবাইয়ে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে জাসপ্রিত বুমরাহকে আদৌ পাবে কি না ভারতীয় দল, কিংবা বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ থেকেই তিনি খেলতে পারবে কি না, জানা যেতে পারে ১১ই ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আজ মঙ্গলবার।