শেষ ওভারে ১৯ রান দরকার ছিল খুলনা টাইগার্সের। প্রথম বলে সিঙ্গেল নেওয়ার পর আবু হায়দার রনি টানা দুই বলে স্কয়ার অফ দ্যা উইকেট ও থার্ড ম্যান অঞ্চলে দুটি চার মেরে আশা জাগান। তবে তৃতীয় বলেই লং অনে ক্যাচ তুলে দেন রনি। ছয় বলে ১৪ রান করে আউট হন তিনি। এরপর দশ রান প্রয়োজন হলে শেষ দুই বলে নাসুম আহমেদ তা পূরণ করতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত আট রানের জয় তুলে নেয় সিলেট স্ট্রাইকার্স। তিন ম্যাচ হারের পর টানা দুটি জয় পেল দলটি।
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে খুলনা টাইগার্সের শুরু ছিল শান্ত। কর্নওয়ালের প্রথম ওভারে মাত্র দুই রান তোলে দলটি। তবে চতুর্থ ওভারেই নাইম শেখ (৯ বলে ১১) বোল্ড হন নাহিদুল ইসলামের গুড লেংথের বলে। একই ওভারে ইমরুল কায়েসও (তিন বলে দুই) তানজিম সাকিবের স্লোয়ারে পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দেন। এরপর দারউইশ রাসুলি (৮ বলে ১৫) রিস টপলির বলে আউট হলে পাওয়ার প্লে শেষে ৪৭ রানেই তিন উইকেট হারায় খুলনা।
এর আগে, ব্যাট হাতে বিপর্যস্ত শুরু করেও জাকির হাসানের ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৫ ও রনি তালুকদারের ফিফটিতে নির্ধারিত ওভারে ১৮২ রান করে সিলেট। পাওয়ার প্লে’তে ১৫ রানে দুই উইকেট হারালেও, জাকিরের অনবদ্য ইনিংস ও শেষের দিকে শানাকাদের ছোট ছোট ইনিংস স্কোর বড় করে।
চলমান বিপিএলে পাওয়ার প্লে’তে সিলেটের এটিই সর্বনিম্ন সংগ্রহ (২১ রান)। অথচ আগের ম্যাচেই পাওয়ার প্লে’তে ৭৪ রান তুলেছিল তারা। তবে ব্যাটিং মাধুর্য আর বোলিং পরিকল্পনায় বাজিমাত করে রুয়েল মিয়া, নাহিদুল, আর সাকিবরা।